লোড হচ্ছে...
মার্কিন প্রশাসন ইরানের অর্থনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপ দখল বা অবরোধ করার পরিকল্পনা বিবেচনা করছে। যুক্তরাষ্ট্র আশা করছে, এই দ্বীপে কৌশলগত চাপ সৃষ্টি করলে ইরান হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলতে বাধ্য হবে।
২০ মার্চ, ২০২৬
কাতারের জর্জটাইন ইউনিভার্সিটির মধ্যপ্রাচ্য রাজনীতির প্রভাষক জায়দোন আলকিনানি আল জাজিরাকে বলেছেন, ইরানের খারগ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা সামরিক সংঘাত থেকে অর্থনৈতিক যুদ্ধের দিকে মোড় নেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তিনি বলেন, "গত দুই সপ্তাহের সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব ও ফলাফল সরাসরি যুদ্ধের কারণেই সৃষ্টি হয়েছে। এখন মনে হচ্ছে, উভয় পক্ষই কৌশলগতভাবে একে অপরের ওপর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করছে। তারা প্রকাশ্যে এ অঞ্চলে একে অপরের প্রভাবশালী অর্থনৈতিক উৎসগুলো ধ্বংস করার চেষ্টা করছে।"
১৪ মার্চ, ২০২৬
উপসাগরের প্রখর রোদের নিচে, সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে যাওয়া পাইপলাইনের ভেতর দিয়ে লক্ষ লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বয়ে চলার ছন্দময় শব্দ প্রাচীন প্রবাল শিলাগুলোতে কম্পন তোলে। বিখ্যাত ইরানি লেখক জালাল আল-ই-আহমদ একবার এই বিচ্ছিন্ন তীরের দিকে তাকিয়ে ভূখণ্ডটিকে ‘পারস্য উপসাগরের এতিম মুক্তা’ (Orphan Pearl) হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।
১৪ মার্চ, ২০২৬
খারগ দ্বীপে হামলার ঘটনার মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিশ্চিতভাবেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে ফিরে পেতে চাইছেন। এটা কারও অজানা নয় যে, এই সংঘাতে ইরানের প্রধান হাতিয়ার বা তুরুপের তাস হলো হরমুজ প্রণালীর ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ। সেখান দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়ে তারা বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।
১৪ মার্চ, ২০২৬

